মুফতি যাকারিয়্যা মাহমূদ-এর কলামসংবাদ

মসজিদে নববীর আঙিনায় ‘আল কুরআন মিউজিয়াম’

সৌদি আরবের স্থানীয় জনসাধারণসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত হাজী, ওমরাহ্‌ আদায়কারী বা মদীনা মুনাওয়ারা ও মসজিদে নববীর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআনুল কারীমের সঙ্গে একনিষ্ঠ ভালোবাসা ও গভীর হৃদ্যতা এবং আত্মার নিবিড়ঘন সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষে মদীনা মুনাওয়ারার মহামান্য গভর্নর ড. ফায়সাল বিন সালমান বিন আব্দুল আযীয আল সৌদের আন্তরকি সহযোগিতায়, সৌদি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আর্থিক অনুদানে এবং স্থানীয় স্বনামধন্য বহুমুখী প্রতিষ্ঠান সামায়া হো. কোম্পানীর পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় পবিত্র কুরআনুল কারীমের স্থায়ী, দৃষ্টিনন্দন ও মনোরম একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। আধুনকি বজ্ঞিান ও প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এই প্রর্দশনীটি নিঃসন্দেহে  খুব চমৎকার ও দারুণ একটি আয়োজন।

প্রতিষ্ঠাকাল:
আলকুরআনের এ চমৎকার আয়োজনটি ২০১৫ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর বুধবার মদীনা মুনাওয়ারার গভর্নর ড. ফায়সাল বিন সালমান বিন আব্দুল আযীয আলসৌদ শুভ উদ্বোধন করেন। পরের দিনই বৃহস্পতিবার সর্বসাধারণের জন্য প্রদর্শনীটি অবমুক্ত করে দেয়া হয়।

প্রদর্শনীর লক্ষ ও উদ্দেশ্য:
১.আধুনিক মিউজিয়ামের আদলে, একটি নতুন ধারা ও স্টাইলে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পবিত্র কুরআনের প্রকৃত পরিচয় মানুষের সামনে তুলে ধরা।
২. কুরআন শিক্ষা ও শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।
৩. কুরআনের মহত্ব, বড়ত্ব , গুরুত ও তাৎপর্য সম্পর্কে মানুষকে  অবহিত করা।
৪. কুরআনের ইতিহাস সম্পর্কে আলোকপাত করা।
৫. কুরআন সম্পর্কিত আধুনিক প্রযুক্তির সাথে র্দশর্নাথীর পরিচয় করানো।
৬. যুগে যুগে কুরআনের খেদমতে সৌদি আরবের অবদান সম্পর্কে অবহতি করা।

যাদের জন্য এই আয়োজনটি:
১. মদীনার স্থানীয় জনগণ ও তাতে বসবাসকারী প্রবাসীগণ।
২. মদীনার জিয়ারতকারী/ দর্শনার্থী।
৩. সরকারী/ বেসরকারী প্রতিনিধিদল ও দায়িত্বশীলগণ।
৪. মাদরাসা, স্কুল-কলেজ ও ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীগণ।

প্রদর্শনীর ভাষা:
আরবি ভাষাই হচ্ছে প্রদর্শনীটরি মূল ও প্রধান ভাষা। সেকেন্ডোরি ভাষা হসিাবে রয়েছে ইংরেজী। এছাড়া দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বিশ্বের আরো দশটি ভাষায় অনুবাদের কাজ চলছে যা হয়তো খুব শিগগিরই সমাপ্ত হবে। ইনশাআল্লাহ্‌।

প্রদর্শনীটিত রয়েছে ১৩টি সুসজ্জিত কক্ষ ও গ্যালারি। প্রতিটি গ্যালারিতেই রয়েছে  সংশ্লষ্টি বিষয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর সংগ্রহ ও চমৎকার আয়োজন।

১। অভ্যর্থনা কক্ষ:
প্রদর্শনীতে প্রবেশের প্রথমেই রয়েছে বিভিন্ন চেয়ার ও সোফা দ্বারা সুসজ্জিত এই কক্ষটি। প্রবেশ মুখেই দর্শনার্থীদের এখানে উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। বিভিন্ন ভাষায় রচিত প্রদর্শনীর সংক্ষপ্তি পরিচিতিও এসময় দর্শনার্থীদের দেয়া হয়। এছাড়াও এই কক্ষে প্রদর্শনীর পরিচিতিমূলক একটি ফিল্ম ও পুরো প্রদর্শনীর দিকনির্দেশনামূলক একটি ম্যাপ রয়েছে। দর্শনার্থীগণ এগুলোর সাহায্যে প্রদর্শনী সম্পর্কে সংক্ষপ্তি ধারণা পেয়ে থাকেন।

এতদ্ব্যবতীত প্রতিটি ভাষার জন্যই রয়েছে নির্দিষ্ট সংখ্যক আলোচক ও অনুবাদক। তিনি দর্শনার্থী যেভাষা বোঝেন সে ভাষাতেই তাকে এ কক্ষইে প্রদর্শনী সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ও সংক্ষিপ্ত ধারণা দিয়ে থাকেন। প্রয়োজনে তিনি প্রতিটি গ্যালারিতেই দর্শনার্থীদের সঙ্গি হন। বাংলাদেশী দর্শনার্থীদের জন্যও রয়েছেন একজন বাংলাদেশী স্কলার। সুতরাং বাংলাদশেীগণ এই স্কলারের সহযোগিতায় সুন্দর আলোচনা ও চমৎকার ধারাভাষ্যের মাধ্যমে মনোমুগ্ধকর ও দারুণ  আবেগঘন কিছু সময় এখানে উপভোগ করবেন।

২। ভিআইপি দর্শনার্থী কক্ষ:
অর্ভ্যথনা কক্ষের পাশ ঘেঁষেই বাঁদিকে রয়েছে এই কক্ষটি। প্রদর্শনীর বিশেষ দর্শনার্থীদের এই কক্ষেই উষ্ণ অর্ভ্যথনা জানানো হয়। এবং প্রদর্শনী সম্পর্কে তাদের উপযোগী মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত ব্রিফ করা হয়। প্রয়োজনে তারা এখানে বসেই বিশেষ ফিল্ম ও প্রজক্টোররে মাধ্যমে পুরো প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারেন।

৩। নাবাউল আযীম কক্ষ:
এই গ্যালারিতে দর্শনার্থীদের সামনে আলকুরআনের পরিচিতির সাথে সাথে কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও প্রক্ষোপট তুলে ধরা হয়। সেই সাথে পূর্ববর্তী আসমানী গ্রন্থসমূহের পরিচিতি ও সারসংক্ষপে, মহাকাশ ও মেডিকেল বিজ্ঞানসহ কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন বিজ্ঞানের ব্যাখ্যাও তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি কুরআনের বিভিন্ন আয়াত এবং সূরার ফযিলত সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়। আলোচনা করা হয় অতীতরে বিভিন্ন বিলুপ্ত ও অভিশপ্ত সম্প্রদায়ের করুন পরিণতি সম্পর্কে ।

৪। কুরআনের ইতিহাস কক্ষ:
এই কক্ষে দর্শনার্থী কুরআন নাযিল তথা ওহীর সূচনাকাল থেকে বর্তমান সময় র্পযন্ত কুরআনের লিখন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং আমাদের র্পযন্ত তা হেফাজতের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই গ্যালারিতে এতদসংক্রান্ত একটি ডকুমেন্টারী ফিল্ম, ৪টি কম্পিউটার ও একটি বড় ডিসপ্লে রয়েছে। দর্শনার্থীগণ এগুলো ব্যাবহাররে মাধ্যমেও আরো অনেক কিছু জানতে পারবেন।

প্রিয় পাঠক! এছাড়াও  আপনার জন্য রয়েছে এই কক্ষে হযরত উসমান রা. কর্তৃক লিখিত পৃথিবীর সর্বপ্রথম কুরআনের পাণ্ডুলিপি মুসহাফে উসমানীর ফটোকপি।

৫। কুরআনের পাণ্ডুলিপি প্রর্দশনী কক্ষ-১:
পাণ্ডুলিপির জন্য প্রর্দশনীতে ৩ টি কক্ষ রয়েছে, মূলত এই কক্ষ গুলোই এখানকার প্রধান আর্কষণ। এগুলো ঘিরেইে র্দশর্নাথীদরে কৌতূহল ও বিস্ময় সবচেয়ে বেশী। এই কক্ষে খেলাফতে আব্বাসিয়া ও উসমানিয়ার শাসনামলে লিখিত ২৭টি প্রাচীন পাণ্ডুলিপি রয়ছে। প্রতিটি পাণ্ডুলিপির পাশে লেখকেরে নাম, লেখার সন/তারিখ, লিখন পদ্ধতি ও লেখার উপকরণসহ সংক্ষিপ্ত পরচিতিমিূলক একটি র্বণনা রয়ছে। এই কক্ষেই হরিণের চামড়ায় লিখিত ৩টি পুরনো পাণ্ডুলিপি রয়ছে। রয়েছে উনিশ শতকের প্রসিদ্ধ খাত্তাত হাফেয উসমান আততুরকির লিখিত কুরআন। যিনি জীবনে একশত ছয়টি কুরআন স্বহস্তে লপিবিদ্ধ করেছেন। আরো রয়েছে ৬০পৃষ্ঠায় লখিতি কুরআনের অতি র্দূলভ একটি পাণ্ডুলিপি। এছাড়াও একজন দর্শক বিগত চৌদ্দশত বছরের কুরআনুল কারীমের লিখন ও সংরক্ষণধারা সম্পর্কে অতীতের মুসলিম মনীষীদের ত্যাগ-তিতিক্ষা, অবদান ও খেদমত সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

৬। কুরআনের পাণ্ডুলিপি প্রর্দশনী কক্ষ-২:
এই গ্যালারীতে দর্শক পৃথিবীর সর্ববৃহৎ হস্তলখিতি একটি কুরআন দেখতে পাবেন। যার ওজন ১৫৪ কেজি (প্রায় চার মন)। জানতে পারবেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই কুরআনের চমৎকার ইতিহাস। সেই সাথে কুরআন তেলাওয়াতের আদব, কুরআনের পাঠ ও পঠন পদ্ধতি, কুরআনের বিভিন্ন কেরাত ও কারীদের সম্পর্কেও সম্যক ধারণা পাবেন।

৭। কুরআনের পাণ্ডুলিপি প্রর্দশনী কক্ষ-৩:
প্রিয় দর্শক আপনার জন্য রয়েছে এই কক্ষে বেশ কিছু বড় আকারের সোনালী (র্স্বণাক্ষরে লিখিত) কুরআন। রয়েছে রাসুল সা. ও তৎপরবর্তী যুগে কুরআন লেখার কাজে ব্যবহৃত উপকরণ নিয়ে একটি ডকুমেন্টারী ফিল্ম। এছাড়া মিশরের সাবেক প্রিন্সেস আমিনা হানম কারীমা কর্তৃক মসজিদে নববীতে প্রদত্ত হাতির দাঁত, রুপা ও মূল্যবান কারুর্কাযে তৈরী কুরআনুল কারীমের সুসজ্জিত একটি আলমারী।

৮। তাফসীর গ্যালারী:
এই গ্যালারীতে দর্শনার্থী জানতে পারবেন তাফসীরের পরিচয়, প্রকার ও উৎপত্তি। সেই সাথে এর সূচনাকাল থেকে আমাদের র্পযন্ত তাফসীরের ক্রমবকিাশ ও ধারাবাহিকতার সুন্দর একটি চিত্র ও স্বচ্ছ ধারণা পাবনে। জানতে পারবেন বিশ্বের প্রসিদ্ধ মুফাসসিরীনে কেরামদের ব্যাপারেও। এছাড়াও তাফসীরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, কুরআনে বর্ণিত ইসলাম-ঈমান, তাওহীদ সম্পর্কেও একটি কুরআনিক সলিউশন পাবেন। এছাড়া এই গ্যালারীতে এতদ্বসংক্রান্ত একটি ডকুমেন্টারী ফিল্মও রয়েছে।

৯। প্যানোরমা ডিসপ্লে হল:
এই হলটি প্রর্দশনীর অন্যতম একটি আর্কষণীয় হল। এখানে র্দশর্নাথীদরে প্রচুর ভিড় হয়। এখানে দর্শনার্থীগণ কুরআন নাযিলেরে সময়কাল, আইয়ামে জাহেলিয়াতের ভয়ঙ্কর বাস্তবতা ও বিভীষিকাময় উপাখ্যানের বর্ণনাসহ কুরআন নাযিলোত্তর কিভাবে মক্কা থেকে সারা বিশ্বে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে সে সম্পর্কে ফিল্মের মাধ্যমে একটি ধারণা পাবেন।

১০। কুরআনের খেদমতে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তি হল:
এই হলে দর্শনার্থীগণ কুরআন তেলাওয়াত, হিফয করণ, কুরআন শিক্ষা ও শিক্ষাদান পদ্ধতি, কুরআন থেকে কোন বিষয় সম্পর্কে অনুসন্ধান ও গবেষণা পদ্ধতিসহ যে কোন আয়াতের ব্যাখ্যা তাফসীরসহ জানতে পারবেন। কুরআনের তাফসীরে ব্যাবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন। এই গ্যালারীতে এজন্য ১০টি কম্পিউটার রয়েছে। র্দশর্নাথী ইচ্ছা করলে ঘুরে ঘুরে সগেুলো নিজে নিজেই ব্যাবহার করতে পারনে।

১১। আল কুরআন ও পরিবার হল:
দর্শনার্থীগণ এই গ্যালারীতে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও আদর্শ পরিবার গঠনে আল কুরআনের শিক্ষা ও দর্শন, মূলনীতি ও কর্মসূচী সম্পর্কে জানার পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনে কুরআনের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অবদান সম্পর্কে জ্ঞান পাবেন। কুরআনের সাথে দর্শনার্থীর ও তার পরিবারের একটি চমৎকার ঈমানী সম্পর্ক গড়ে তোলাই এই গ্যালারীর লক্ষ্য।

১২। বাদশাহ্ ফাহাদ কুরআন মুদ্রণ সংস্থা:
এটি একটি গ্যালারীর নাম। এই গ্যালারীতে দর্শনার্থীগণ কিং ফাহাদ কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্সের পরিচিতি, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও র্কাযক্রম, কুরআনের খেদমত ও অবদান সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই কমপ্লক্সে থেকে বছরে র্বতমানে প্রায় ১২ মিলিয়ন (১ কোটি ২০ লক্ষ) কুরআন ছাপা হয়। এছাড়া এ যাবৎকাল র্পযন্ত এখান থেকে বিশ্বের প্রায় সত্তরটি ভাষায় কুরআনের তরজমা, তাফসীর, সংক্ষিপ্ত অনুবাদসহ বিভিন্ন পুস্তিকাদি ও গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্যালারীতে একটি ডিসপ্লে ও বোর্ড রয়েছে। যার মাধ্যমে একজন দর্শনার্থী সৌদি প্রিন্টের কুরআন গুলোর লেখক ও  লেখার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। এছাড়াও এই গ্যালারীতে অতীতের বিভিন্ন সময়ে কুরআন লেখার কাজে ব্যবহৃত পুরনো দিনের কিছু কাঠের ও বাঁশের কলম রয়েছে। দর্শনার্থী সেগুলো দেখেও পুলকতি হবনে।

১৩। বিদায় কক্ষ:
এটিই এই প্রদর্শনীর সর্বশেষ গ্যালারী। বিদায়ের মুহূর্তে দর্শনার্থীকে এখান থেকে আল কুরআনের কিছু নসীহত ও সংক্ষিপ্ত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। যা একজন দর্শনার্থী জীবন চলার পাথেয় হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন। অতঃপর সালাম মুসাফাহা, ও বিদায়ী সম্ভাষণের মাধ্যমে দর্শনার্থী প্রদর্শনী ত্যাগ করেন।

গিফট শপ:
বিদায় কক্ষ থেকে বের হতেই পাশে রয়েছে ক্ষুদ্র একটি গিফট শপ। এখান থেকে দর্শনার্থী প্রদর্শনী সংশ্লষ্টি বিভিন্ন বই-পুস্তক, সিডি, ইউএসবি ও প্রদর্শনীর বিভিন্ন সামাজিক সাইট/ওয়েব এড্রেস লেখা সম্বলিত কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি, সুন্দর সুন্দর ছবি ও পোস্টার রয়েছে। র্দশর্নাথীর্র পছন্দ হলে তা ক্রয় করতে পারেন।

প্রদর্শর্নীর সময়সূচী:
দৃষ্টিনন্দন ও চমৎকার এই প্রদর্শনীটি র্দশর্নাথীদরে জন্য সারা বছরই খোলা থাকে।
প্রত্যহ সকাল ০৯: ০০ মিনিট থেকে দুপুর ০২: ০০ মিনিট র্পযন্ত। আর বিকাল ০৪: ০০ মিনিট থেকে রাত ০৯: ০০ মিনিট র্পযন্ত। তাই বাংলাদশেী  হাজী/ওমরাকারী/সাধারণ দর্শনার্থীরাও  ঘুরে আসতে পারেন সুদর্শন এই প্রদর্শনীটি। আপনার জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ। এখানে বাংলাদেশী দর্শনার্থীদের জন্য বিকালের বাংলাদেশী আলোচক হিসাবে আছেন যাকারিয়্যা মাহমূদ, এমফিল গবেষক মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনিই বাংলাদেশীদের সার্বিক সহযোগিতা করে থাকেন।

প্রদর্শনীর অবস্থান:
মসজিদে নববীর দক্ষণি পাশ্বর্স্থ (কিবলার দিকে) ৫ নং গেইট সংলগ্ন ৩ এবং ৪ নং কারপার্কিং এর পিছনে।

লেখক:  মুফতি যাকারিয়্যা মাহমূদ মাদানী
বি. এ (অনার্স), এম. এ, এমফিল : ইসলামিক ল, জুডিশিয়ারি এন্ড পলিটিক্যাল সাইন্স।
মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরব।
সহকারী পরিচালক, আলোচক, ও উপস্থাপক :
আল কুরআন মিউজিয়াম, মসজিদে নববী, মদীনা মুনাওয়ারা, সৌদি আরব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ভয়েস অব ইসলাম ও ডেইলি মাই নিউজ।
jakariyamahmud@gmail.com

আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close