মুফতি যাকারিয়্যা মাহমূদ-এর কলাম

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা মুসলিম উম্মাহর জন্য অশনিসংকেত

কাতার আয়তনে ছোট হলেও জাযিরাতুল আরবের গুরুত্ববহ ও সমৃদ্ধ একটি দেশ। সংগত কারনেই বিশ্ব মোড়লদের শ্যেনদৃষ্টি পড়েছে এই দেশটির উপর। আর একারণেই হয়তো কাতারকে এক ঘরে করে ফেলা হল। ধারণা করা হচ্ছে এর মূলে রয়েছে বিশ্ব নোংরামী ও বেহায়াপনার প্রমোদ কানন আরবের বিষফোড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত। অন্যরা তাদের এ ষড়যন্ত্রে পা দিয়েছে।

অবশ্য এজন্য উভয় পক্ষই নিজেদের পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি-পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে আসছে। এবং ইনসাফের বিচারে কারো কোন যুক্তিকেই দূর্বল ও অযৌক্তক বলা যাচ্ছেনা।

এখানে আমার একটি ছোট্ট  প্রশ্ন, সেটি হল: কাতারের বিরুদ্ধে একই দিনে কী ভাবে একই ধর্ম বর্ণ রক্তের তারই আরো পাঁচটি সহোদর দেশ একত্রিত হল? যারা হাজার চেষ্টা করেও বিগত ষাট দশকেও মধ্য প্রাচ্যের  আরেক বিষফোড়া ইসরাঈলের বিরুদ্ধে এক হতে পারেনি! ইরানের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন জোট গঠন করতে পারেনি!

আমার বোধয় অরবের এ অস্থিরতা, অনৈক্য ও বিভেদের মূল কারণটি জানতে আমাদের আরেকটু  সময় নিতে হবে। হুট করেই এখনই  কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিৎ হবেনা।কেননা সত্য চিরকাল গোপন থাকেনা, একদিন তা উদ্ভাসিত হবেই। আর সেদিনই হয়তো প্রকৃত অপরাধীদের আসল চেহারা জাতির সামনে উম্মোচিত হবে। সেদিন আর কোন কিছুই হয়তো গোপন থাকবে না। তবে এটি বলতেই হবে যে, মুসলিম বিশ্বের এই অনৈক্য আর শক্তি প্রদর্শনের উম্মাদনায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে আরব, ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ। লাভবান হবে আমেরিকা, ইসরাঈল, ইরান। লাভবান হবে ইসলামের শত্রুরা।

আরও পোস্ট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button
Close